ধর্ষক নিয়ে উক্তি
সে যে উত্তেজনা বসন্ত শয়তানের বসে কাম কামনায় লিপ্ত হয় । ধর্ষক সমাজের জন্য একটি ক্ষতিকর কিট। ধর্ষক আমাদের সংগঠিত সমাজকে এবং সমাজের মানসিকতাকে বিকৃত করে ফেলে। যার ফলে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা হরণ হয় ।
ধর্ষক নিয়ে উক্তি
সাধারণ মানুষ ধর্ষক মুক্ত ও ধর্ষণমুক্ত সমাজ চাই । যা নাগরিকত্বের সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব । নাগরিকের সচেতন মনোভাব কাম কামনার ওপরে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ আমাদের সুসংগঠিত সমাজকে স্বাভাবিক থাকতে সহযোগিতা করবে ।
ধর্ষক জন্মায় না, সমাজ তাকে সৃষ্টি করে।
ধর্ষকের কোনো ধর্ম নেই, কোনো জাত নেই—সে শুধু এক নিকৃষ্ট পশু।
একটি ধর্ষকের বেঁচে থাকা মানে সমাজের জন্য এক বিশাল হুমকি!
ধর্ষকের অস্তিত্ব সমাজের কলঙ্ক, তাকে রক্ষা করা অপরাধের সমান!
একটি ধর্ষক যদি মুক্ত থাকে, তাহলে আরও হাজারটি ধর্ষণ হবে!
ধর্ষকের পরিচয় সে শুধু ধর্ষক, এর বাইরে কিছু নয়!
ধর্ষণ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, ধর্ষকরা সমাজের বিষ!
একজন ধর্ষক পুরো সমাজের জন্য অভিশাপ!
যে ধর্ষকের জন্য তুমি ন্যায়বিচার চাইতে ভয় পাও, সে একদিন তোমার ঘরে আসবে!
ধর্ষক যদি শাস্তি না পায়, তবে ধর্ষণের দায় সমাজের!
ধর্ষকের শাস্তি যদি কঠোর হয়, তবে নতুন ধর্ষক তৈরি হবে না!
ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত মৃত্যুদণ্ড!
একজন ধর্ষকের শাস্তি না হলে, সমাজে নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না!
বিচারহীনতার দেশে ধর্ষকরা রাজত্ব করে!
যে সমাজ ধর্ষকের বিচার করতে ভয় পায়, সে সমাজ একদিন ধ্বংস হবে!
ধর্ষণের বিচার বিলম্বিত হওয়া মানে অন্যায়কে মেনে নেওয়া!
একটি ধর্ষকের ফাঁসি মানে হাজারো নারীর নিরাপত্তা!
ধর্ষকের জায়গা সমাজে নয়, সে কারাগারে বা কবরেই থাকাই উত্তম!
ধর্ষকের জন্য দয়া নয়, চাই কঠোরতম শাস্তি!
ধর্ষণের বিচার চাই, শুধু নিন্দা নয়!
ধর্ষকের বিরুদ্ধে কথা বললেই যদি চরিত্রহীন বলা হয়, তবে সমাজেই সমস্যা!
পোশাক নয়, দৃষ্টি বদলাও; ধর্ষণ তখনই কমবে!
একটি ধর্ষণের দায় কখনোই ভুক্তভোগীর নয়, সব দোষ ধর্ষকের!
ধর্ষকের পরিবার কি কখনো লজ্জা পায়? নাকি শুধু ভুক্তভোগীর পরিবারই কষ্ট পায়?
ধর্ষকের কোনো আত্মপক্ষ সমর্থন নেই, সে শুধুই অপরাধী!
ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাক দায়ী নয়, বরং পুরুষের নোংরা মানসিকতাই দায়ী!
নারীর সম্মান কেড়ে নিতে পারে না কেউ, ধর্ষক শুধু নিজের অসভ্যতা প্রমাণ করে!
ধর্ষকের কোনো যুক্তি নেই, তার একমাত্র পরিচয় সে নরপশু!
ধর্ষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো মানে নারীকে সুরক্ষিত করা নয়, পুরো সমাজকে রক্ষা করা!
যে সমাজ ধর্ষককে আশ্রয় দেয়, সে সমাজই ধ্বংস হয়ে যায়!
ধর্ষণ একটি ব্যাধি, ধর্ষক হলো সেই ব্যাধির বিস্তারকারী!
ধর্ষকরা সমাজের ক্যান্সার, এদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে!
ধর্ষকের বিচার না হলে, মানুষ নিজের হাতে বিচার করবে!
যে সমাজ ধর্ষণের প্রতিবাদ করে না, সে সমাজ একদিন তার মূল্য দেবে!
নারী নির্যাতন বন্ধ করতে হলে, ধর্ষকের রক্ষকদেরও বিচার করতে হবে!
ধর্ষকের জন্য সহানুভূতি নয়, ন্যায়বিচার চাই!
ধর্ষণের বিচার চাই, অন্যায়ের সঙ্গে আপস নয়!
একজন ধর্ষক যদি ফাঁসি না পায়, তবে আরও হাজারো ধর্ষক জন্ম নেবে!
নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে নয়, ধর্ষকদের ভয় দেখিয়েই সমাজ নিরাপদ করা সম্ভব!
ধর্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রই ধর্ষকদের উৎসাহিত করে!
যে রাষ্ট্র ধর্ষকদের শাস্তি দেয় না, সেখানে ধর্ষণ বন্ধ হবে না!
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব!
বিচারহীনতা মানেই ধর্ষকদের জন্য মুক্ত পথ!
যে রাষ্ট্র ধর্ষণের বিচার দিতে পারে না, সেই রাষ্ট্রের নীতি দুর্বল!
শুধু ধর্ষকের বিচার নয়, ধর্ষণ প্রতিরোধের ব্যবস্থাও করতে হবে!
যে সমাজ বিচার দিতে ভয় পায়, সে সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়!
ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনই পারে ধর্ষণ কমাতে!
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ধর্ষকদের জন্ম দেয়!
ধর্ষক কোনো মানুষ নয়, সে এক অমানুষিক দানব!
একজন ধর্ষকের অস্তিত্ব মানেই সমাজের জন্য অভিশাপ!
ধর্ষক শুধু একজন নারীর জীবন নষ্ট করে না, সে পুরো সমাজকে কলুষিত করে!
যে পুরুষ নারীর সম্মান বোঝে না, সে পুরুষ নয়, সে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট!
ধর্ষকের স্থান সমাজে নয়, সে কারাগারেই থাকুক!
একজন ধর্ষকের মুক্তি মানেই আরও হাজারো ধর্ষণের সূচনা!
ধর্ষকের কোনো ধর্ম নেই, জাত নেই—সে শুধু এক নরপিশাচ!
ধর্ষক জন্মায় না, তাকে সৃষ্টি করে নোংরা মানসিকতা!
যে সমাজ ধর্ষকের পক্ষ নেয়, সে সমাজই ধর্ষণের জন্ম দেয়!
ধর্ষক সমাজের বিষাক্ত কীট, তাকে নির্মূল করতেই হবে!
ধর্ষকের জন্য সহানুভূতি নয়, চাই কঠোরতম শাস্তি!
যে সমাজ ধর্ষকের বিচার করতে পারে না, সে সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়!
ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত!
একটি ধর্ষকের ফাঁসি মানে হাজারো সম্ভাব্য ধর্ষকের জন্য ভয়!
ধর্ষণের বিচার যদি দ্রুত হয়, তবে সমাজে ধর্ষক জন্ম নেবে না!
বিচারহীনতার সংস্কৃতি ধর্ষকদের সাহসী করে তোলে!
একজন ধর্ষক যদি মুক্ত থাকে, তাহলে প্রতিদিন নতুন শিকার জন্ম নেবে!
ধর্ষক বেঁচে থাকলে, প্রতিটি নারী অনিরাপদ!
নারীকে নয়, ধর্ষকের চরিত্র সংশোধন করো!
ধর্ষণের বিচার না হলে, ধর্ষণের দায় রাষ্ট্রের!
পোশাক ধর্ষণের কারণ নয়, বরং ধর্ষকের অসুস্থ মানসিকতা!
ধর্ষণ কখনোই আকস্মিক ঘটনা নয়, এটি বিকৃত মানসিকতার ফল!
যে সমাজ ধর্ষককে রক্ষা করে, সে সমাজই অপরাধী!
নারী স্বাধীনতা হরণের নয়, বরং ধর্ষকদের মানসিকতা সংশোধনের প্রয়োজন!
যে পরিবার ধর্ষকের পক্ষে দাঁড়ায়, সেই পরিবারই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়!
নারীর পোশাক নয়, দৃষ্টি বদলাতে হবে!
ধর্ষণের জন্য নারীর চালচলন নয়, দায়ী পুরুষের বিকৃত মানসিকতা!
ধর্ষকের মনই আসল অপরাধী, নারীর স্বাধীনতা কখনোই অপরাধ নয়!
যে সমাজ ধর্ষণ নিয়ে নীরব থাকে, সে সমাজই ধর্ষণের সহায়ক!
নারীর মর্যাদা কেড়ে নেওয়া যায় না, ধর্ষক শুধু নিজের পশুত্ব প্রকাশ করে!
ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হও, নইলে একদিন সবাই ভুক্তভোগী হবে!
একটি ধর্ষণ মানে কেবল একজন নারীর ক্ষতি নয়, এটি পুরো জাতির অপমান!
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত কর, নয়তো সমাজ ধ্বংস হবে!
ধর্ষণের শিকার নারীরা নয়, সমাজ লজ্জিত হোক!
ধর্ষকের জন্য করুণা নয়, চাই আইনগত শাস্তি!
নারীকে সুরক্ষা দেওয়ার একমাত্র উপায়—ধর্ষকদের নির্মূল করা!
যে সমাজ ধর্ষকের বিচার দিতে পারে না, সে সমাজ অন্ধকারে ডুবে যায়!
ধর্ষকের বিচার দ্রুত হওয়া উচিত, যাতে অন্যরা শিক্ষা নেয়!
যে সমাজ ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়, সে সমাজই অপরাধী!
ন্যায়বিচার যদি না হয়, তাহলে জনগণ রাস্তায় নামবে!
ধর্ষকের বিচার না হলে, ধর্ষণের দায় রাষ্ট্রের!
বিচারহীনতা মানে ধর্ষকদের প্রশ্রয় দেওয়া!
যে রাষ্ট্র ধর্ষকের বিচার করতে পারে না, সেই রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার!
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব!
একটি ধর্ষণের বিচার না হলে, পরবর্তী ধর্ষণের জন্য রাষ্ট্র দায়ী!
বিচার পেতে যদি আন্দোলন করতে হয়, তবে সে রাষ্ট্রের আইন দুর্বল!
ধর্ষণের জন্য ভুক্তভোগীকে নয়, অপরাধীকে দায়ী করো!
বিচার না হলে মানুষ নিজের হাতে বিচার করবে!
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কর, অন্যায়কে প্রশ্রয় দিও না!
নারীর স্বাধীনতা মানে তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা!
ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে!
নারীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক!
ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে চাইলে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাও!
শুধু আইন নয়, মানুষের নৈতিকতাও শক্তিশালী হতে হবে!
শিক্ষা ও মূল্যবোধের অভাব ধর্ষণের মূল কারণ!
ধর্ষণ বন্ধ করতে চাইলে পুরুষদের মানসিকতা বদলাতে হবে ,
ধর্ষকের পরিচয় শুধু অপরাধী, তাকে রক্ষা করো না!
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব!
শুধু আইন করলেই হবে না, তা কার্যকর করাও জরুরি!
এম এ এস ওয়ার্ড স্টোরি এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন
comment url