ধর্ষককে নিয়ে উক্তি
ধর্ষক অপরাধী আর অপরাধীর কোন দেশ নেই , কোন এলাকা নেই , কোন গ্রাম নেই , কোন সমাজ নেই , কোন বাড়ি নেই তারা শুধুমাত্রই অপরাধী আর অপরাধীদের যারা ঠাই দেয় তারাও অপরাধী । এই অপরাধের সামঞ্জস্যতা দূর করতে পারলেই এই অপরাধকে ঠেকানো সম্ভব ।
ধর্ষককে নিয়ে উক্তি
ধর্ষক কে যে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অন্যের উপরে নিজের কামনা বাসনা পূরণ করার জন্য জুলুম করে সেই ধর্ষক । সেও ধর্ষক যে তার কামনা বাসনা পূরণের জন্য আকর্ষিত জিনিসের দিকে আকৃষ্ট হওয়ার উদ্দেশ্যে মনোনিবেশ করে ।
ধর্ষক তুমি সাবধান হয়ে যাও আসছে তোমার কালো রাত ঘুজবে সবার অভিশাপ ।
ধর্ষণ কেবল একটি শারীরিক অপরাধ নয়, এটি মানুষের আত্মাকে হত্যা করার শামিল।
একজন ধর্ষক কেবল একজন নারীর শরীরকে নয়, পুরো সমাজের বিশ্বাস ও নিরাপত্তাকে ধ্বংস করে।
নারীকে সম্মান করতে না পারলে, পুরুষ পরিচয় দেওয়ার অধিকারও নেই।
ধর্ষণ কখনো নারীর পোশাকের কারণে হয় না, এটি হয় বিকৃত মানসিকতার কারণে।
একজন ধর্ষক শুধু একজন মানুষকেই ক্ষতি করে না, সে পুরো মানবতাকে কলঙ্কিত করে।
শাস্তি কঠোর হলে অপরাধ কমবে, নইলে ধর্ষকের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
একজন ধর্ষক সমাজের সবচেয়ে ঘৃণ্য প্রাণী।
ধর্ষকরা শুধু নারীর শত্রু নয়, মানবতার শত্রু।
ধর্ষক জন্ম নেয় না, সমাজের বিকৃতি তাদের সৃষ্টি করে।
ধর্ষক মানে একজন কুৎসিত মানসিকতার মানুষ।
ধর্ষক কেবল একজন নারীর জীবন ধ্বংস করে না, পুরো সমাজকে কলঙ্কিত করে।
যে পুরুষ ধর্ষণ করতে পারে, সে মানুষ নয়—একজন হিংস্র জানোয়ার।
ধর্ষক কখনো প্রকৃত পুরুষ হতে পারে না।
একজন ধর্ষক তার পরিবার, সমাজ ও জাতির জন্য অভিশাপ।
ধর্ষকরা মুক্ত ঘুরে বেড়ালে, সমাজের কোনো নারীর নিরাপত্তা থাকে না।
ধর্ষণের শাস্তি যত কঠোর হবে, অপরাধ তত কমবে।
নারী শরীর নয়, সে একজন মানুষ, সম্মান পাওয়ার অধিকার তারও আছে।
ধর্ষণকে ভয় পেও না, ধর্ষককে ভয় দেখাও!
যেখানে ধর্ষক দণ্ডহীন, সেখানে সভ্যতা বিপন্ন।
যে সমাজ ধর্ষককে আশ্রয় দেয়, সে সমাজ অভিশপ্ত।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানে ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানো।
ধর্ষণের শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড না হয়, তবে ন্যায়বিচার অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
ধর্ষণ একদিনের কষ্ট নয়, এটি একটি নারীর সারাজীবনের দুঃখ।
ধর্ষণ থামাতে চাইলে, আগে ধর্ষকের মানসিকতা বদলাতে হবে।
নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করো, ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করো।
ধর্ষকের পক্ষে কথা বলাও এক ধরনের অপরাধ।
একটি সমাজ তখনই উন্নত হয়, যখন নারীরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে।
ধর্ষক নয়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটাই কেন ভয় পাবে?
যে সমাজ ধর্ষণের শিকার মেয়েকে দোষ দেয়, সে সমাজ নিজেই অসুস্থ।
নারী স্বাধীনতা মানে ধর্ষণের সুযোগ নয়, বরং সম্মান করার শিক্ষা।
একজন ধর্ষকের সবচেয়ে বড় শাস্তি সমাজের ঘৃণা হওয়া উচিত।
নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেই ধর্ষণ কমবে।
পোশাক নয়, পুরুষের বিকৃত মানসিকতাই ধর্ষণের কারণ।
নারীকে সম্মান করতে শিখুন, তাহলে ধর্ষণের প্রয়োজন হবে না।
ধর্ষকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই প্রকৃত প্রতিবাদ।
ধর্ষকের হাত কাঁপে না, কিন্তু সমাজের বিচার করতে কাঁপে!
ধর্ষণের বিচার যত দেরিতে হয়, সমাজ তত অনিরাপদ হয়ে পড়ে।
ধর্ষকের জায়গা কারাগারে, সমাজে নয়!
যে রাষ্ট্র ধর্ষকের বিচার দিতে পারে না, সে রাষ্ট্র ব্যর্থ।
ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ডই যথেষ্ট নয়, তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।
ধর্ষকের মুক্তি মানে আরও নারীর নিরাপত্তাহীনতা।
ধর্ষকের বিচার না হওয়া মানে নতুন ধর্ষকের জন্ম দেওয়া।
ন্যায়বিচার পেতে দেরি হলে, অপরাধ আরও বাড়ে।
ধর্ষকের বিচার যেন শুধুই আইনের খেলায় পরিণত না হয়।
ধর্ষকের জামিন সমাজের জন্য হুমকি।
যদি ধর্ষক বেঁচে থাকে, তবে ন্যায়বিচার মরে যায়।
নারী হলো মা, বোন, মেয়ে—তাকে রক্ষা করাই প্রকৃত পুরুষত্ব।
নারীকে ভয় দেখিয়ে নয়, ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে জয় করো।
নারীকে রক্ষা করা শুধু পুরুষের দায়িত্ব নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব
নারী স্বাধীনতা মানে ভোগের বস্তু নয়, বরং তার অধিকার নিশ্চিত করা।
একটি সভ্য সমাজ তখনই গড়ে ওঠে, যখন নারীরা নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে।
একটি শিক্ষিত সমাজ কখনো ধর্ষণকে প্রশ্রয় দেয় না।
একজন সত্যিকারের পুরুষ কখনো নারীর ক্ষতি করতে পারে না।
নারীর পোশাক নয়, পুরুষের চরিত্রই তার পরিচয় দেয়।
নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ না হলে, মানবতা থাকবে না।
নারীর প্রতি সম্মানই প্রকৃত সভ্যতার পরিচয়।
একটি ধর্ষণ মানে পুরো সমাজের ব্যর্থতা।
ধর্ষণের শিকার হওয়া দোষের নয়, ধর্ষক হওয়াটাই লজ্জার।
নারীকে ভয় পেতে শেখানো নয়, রুখে দাঁড়াতে শেখানো উচিত।
ধর্ষণের বিচার না হলে, সমাজে ন্যায়বিচারের মৃত্যু ঘটে।
একটি ধর্ষণ পুরো জাতির জন্য কলঙ্ক।
ধর্ষণের ভয় সমাজকে পেছনের দিকে ঠেলে দেয়।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে মুখ খুলুন, নাহলে পরবর্তী ভুক্তভোগী আপনার আপনজনও হতে পারে।
নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ মানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
ধর্ষকের ক্ষমা নেই, তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
যে সমাজ নারীর প্রতি সম্মান দেয় না, সে সমাজ টিকে থাকতে পারে না।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে আমরা সবাই একসঙ্গে রুখে দাঁড়ালে, এই অপরাধ বন্ধ হবে।
এম এ এস ওয়ার্ড স্টোরি এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন
comment url