কুরআন ও হাদিস থেকে শবে কদরের গুরুত্ব

 রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:যে ব্যক্তি ঈমান ও ইখলাসের সাথে শবে কদরে (লাইলাতুল কদর) ইবাদত করবে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হবে।– (সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)তিনি আরও বলেছেন:শবে কদরকে রমজানের শেষ দশকে খুঁজো, বিশেষ করে ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯তম রাতে।



কুরআন ও হাদিস থেকে শবে কদরের গুরুত্ব

নিশ্চয়ই আমি এটি (কুরআন) নাজিল করেছি কদরের রাতে।– (সুরা আল-কদর: ১)

লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।– (সুরা আল-কদর: ৩)

সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিব্রাইল আ.) তাদের রবের অনুমতিক্রমে প্রত্যেক বিষয়ের জন্য অবতীর্ণ হন।– (সুরা আল-কদর: ৪)

সেই রাত শান্তিতে পূর্ণ থাকে ফজরের طلوع পর্যন্ত।– (সুরা আল-কদর: ৫)

আমরা এক মহিমান্বিত রাতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। ঐ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করা হয়।– (সুরা আদ-দুখান: ৩-৪)

আয়িশা (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম:হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি শবে কদর পেয়ে যাই, তাহলে কী দোয়া করবো?তিনি বললেন:

❝اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي❞

(উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা'ফু আন্নি')

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমাকে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করো।

– (তিরমিজি: ৩৫১৩)

নবী (সা.) বলেনঃ

লাইলাতুল কদরের রাতে ফেরেশতারা পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং ফজর পর্যন্ত রহমত বিতরণ করেন।– (মুসনাদ আহমদ: ২২৭৪৭)

আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে:যে ব্যক্তি শবে কদরে ইবাদতে লিপ্ত থাকবে, সে যেন এক হাজার মাস ইবাদত করলো।– (সুনান ইবনে মাজাহ: ১৬৪৪)

 এই রাতে কুরআন নাজিল হয়েছে। এটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম (৮৩+ বছর ইবাদতের সমান)। এই রাতে দোয়া কবুল হয়, গুনাহ মাফ করা হয়। ফেরেশতারা পৃথিবীতে রহমত নিয়ে অবতরণ করেন। এটি রমজানের শেষ দশকে বিশেষভাবে খুঁজতে বলা হয়েছে।

শবে কদর (লাইলাতুল কদর) হলো বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাত। কুরআন ও হাদিসে এই রাতের ব্যাপক গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এটি এমন একটি রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এই রাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই রাতের ফজিলত সম্পর্কে সম্পূর্ণ একটি সূরা (সুরা আল-কদর) নাজিল করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে:“নিশ্চয়ই আমি এটি (কুরআন) নাজিল করেছি কদরের রাতে।– (সুরা আল-কদর: ১)লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।– (সুরা আল-কদর: ৩)

সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিব্রাইল আ.) তাদের রবের অনুমতিক্রমে প্রত্যেক বিষয়ের জন্য অবতীর্ণ হন।– (সুরা আল-কদর: ৪)সেই রাত শান্তিতে পূর্ণ থাকে ফজরের طلوع পর্যন্ত।– (সুরা আল-কদর: ৫)এছাড়াও, অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন,আমরা এক মহিমান্বিত রাতে কুরআন অবতীর্ণ করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। ঐ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করা হয়।– (সুরা আদ-দুখান: ৩-৪)

হাদিসে শবে কদরের গুরুত্বরাসুলুল্লাহ (সা.) শবে কদরের ব্যাপারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হাদিস বর্ণনা করেছেন।যে ব্যক্তি ঈমান ও ইখলাসের সাথে শবে কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হবে।– (সহিহ বুখারি: ২০১৪, সহিহ মুসলিম: ৭৬০)

শবে কদরকে রমজানের শেষ দশকে খুঁজো, বিশেষ করে ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯তম রাতে।– (সহিহ বুখারি: ২০১৭) হজরত আয়িশা (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন:হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি শবে কদর পেয়ে যাই, তাহলে কী দোয়া করবো?তিনি বললেন:

❝اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي❞

(উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা'ফু আন্নি')

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমাকে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করো।

– (তিরমিজি: ৩৫১৩)

লাইলাতুল কদরের রাতে ফেরেশতারা পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং ফজর পর্যন্ত রহমত বিতরণ করেন।– (মুসনাদ আহমদ: ২২৭৪৭)"যে ব্যক্তি শবে কদরে ইবাদতে লিপ্ত থাকবে, সে যেন এক হাজার মাস ইবাদত করলো।– (সুনান ইবনে মাজাহ: ১৬৪৪)

কুরআন নাজিলের রাত। এই রাতের ইবাদত ৮৩ বছরের ইবাদতের সমান। এই রাতে ফেরেশতারা রহমত নিয়ে নেমে আসেন। দোয়া কবুল হয় এবং গুনাহ মাফ করা হয়। আল্লাহ বান্দার তাকদির নির্ধারণ করেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এম এ এস ওয়ার্ড স্টোরি এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ২

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪